Header Ads

Header ADS

Project Cost Analysis

Cost Baseline: সবচেয়ে সহজ ব্যাখ্যা

**Cost Baseline হলো — প্রজেক্টের সেই বাজেট প্ল্যান, যেখানে লেখা থাকে:

কোন সময়ে কত টাকা খরচ হওয়ার কথা।**

এটা হলো প্রজেক্টের খরচের রোডম্যাপ


একটি খুব সহজ উদাহরণ

ধরো তুমি একটি মোবাইল অ্যাপ বানানোর প্রজেক্ট শুরু করলে।
তুমি হিসাব করলে —

মাস কী কাজ হবে কত টাকা লাগবে
১ম মাস UI/UX ৫০,০০০ টাকা
২য় মাস Backend ১,০০,০০০ টাকা
৩য় মাস Testing ৫০,০০০ টাকা

মোট = ২,০০,০০০ টাকা

এখন এই মাসভিত্তিক বা সময়ভিত্তিক যে বাজেট প্ল্যান তুমি বানালে —
এটাই হলো Cost Baseline


Cost Baseline কীসে কাজে লাগে?

প্রজেক্ট চলার সময় তুমি দেখবে —
আজ পর্যন্ত কত খরচ হওয়ার কথা ছিল
আর বাস্তবে কত খরচ হয়েছে

এই তুলনা করার জন্যই Cost Baseline দরকার।


⭐ Cost Baseline = “Planned Cost Over Time”

মানে: সময়ের সাথে সাথে কত খরচ হওয়ার কথা ছিল — তার লিস্ট।


⭐ খুব ছোট ও পরিষ্কার সংজ্ঞা

👉 Cost Baseline হলো অনুমোদিত বাজেট প্ল্যান, যা সময় অনুযায়ী ভাগ করা থাকে এবং যার ভিত্তিতে প্রজেক্টের খরচ নিয়ন্ত্রণ করা হয়।


⭐ কেন Management Reserve থাকে না?

কারণ Cost Baseline শুধু “Planned Work” এর খরচ দেখায়।
অপ্রত্যাশিত ঘটনা বা বড় ঝুঁকির জন্য যে টাকা আলাদা রাখা হয়, সেটি এতে যোগ করা হয় না।


⭐ সংক্ষেপে ৩ লাইনে:

  1. Cost Baseline = প্রজেক্ট বাজেটের টাইম-ফেজড প্ল্যান

  2. এতে লেখা থাকে— কোন সময়ে কত খরচ হবে

  3. প্রকৃত খরচ তুলনা করে দেখা যায় প্রজেক্ট বাজেটের মধ্যে আছে কি না



🔹 Cost Baseline-এর মূল বৈশিষ্ট্য (Key Characteristics)

🔵 1. Time-Phased (সময়ভিত্তিকভাবে ভাগ করা)

এটার মানে হলো:

👉 Cost Baseline = সময়ের সাথে সাথে কত টাকা খরচ হওয়ার কথা — তার প্ল্যান।

অর্থাৎ বাজেটকে ভাগ করে দেখানো হয় –

  • প্রতিটি মাসে

  • প্রতিটি ফেজে

  • প্রতিটি কোয়ার্টারে

উদাহরণ:

  • জানুয়ারিতে খরচ হওয়ার কথা = ৫০,০০০

  • ফেব্রুয়ারিতে = ১,০০,০০০

  • মার্চে = ৩০,০০০

এভাবে সময় অনুযায়ী খরচ ভাগ করে দেওয়াকেই Time-Phased বলে।

✔️ এটা করলে সহজে বোঝা যায়:
➡️ কোন সময়ে কত টাকা খরচ হওয়ার কথা।
➡️ একটা সময়ে বেশি খরচ হয়ে গেলে সাথে সাথে বোঝা যায়।


🔵 2. Fixed (একবার অনুমোদিত হলে সহজে পরিবর্তন করা যায় না)

এটার মানে:

👉 Cost Baseline = একবার অনুমোদন হলে সেটাই অফিসিয়াল বাজেট প্ল্যান।

এটা হঠাৎ করে পরিবর্তন করা যায় না।
কারণ প্রজেক্টের আসল খরচ (Actual Cost) এই বেসলাইনের সাথে তুলনা করা হয়।

✔️ যদি বাজেট পরিবর্তন দরকার হয় → Change Request দিতে হয়।


🔵 3. Excludes Management Reserves (ম্যানেজমেন্ট রিজার্ভ অন্তর্ভুক্ত নয়)

Cost Baseline-এর মধ্যে থাকে:

✔️ direct cost
✔️ indirect cost
✔️ contingency funds (known risks-এর জন্য)

কিন্তু থাকে না:

❌ management reserve (unknown risks-এর জন্য আলাদা করে রাখা টাকা)

👉 কারণ management reserve হলো emergency fund
→ এটি প্রজেক্ট প্ল্যানের অংশ নয়
→ এটি বেসলাইনের বাইরে রাখা হয়


🔵 4. Measures Project Performance (প্রজেক্ট ঠিকমতো চলছে কি না তা মাপা)

Cost Baseline ব্যবহার করা হয়:

✔️ PV (Planned Value)
✔️ EV (Earned Value)
✔️ AC (Actual Cost)

এইগুলো তুলনা করে বোঝা যায় —
➡️ প্রজেক্ট বাজেট অনুযায়ী চলছে?
➡️ বেশি খরচ হচ্ছে?
➡️ কম খরচ হচ্ছে?
➡️ ভবিষ্যতে বাজেট শেষ হয়ে যাবে?

👉 Cost Baseline হলো প্রজেক্ট খরচ পরিমাপের মেইন রেফারেন্স লাইন


সংক্ষেপে এক লাইনে মনে রাখো:

Cost Baseline হলো অনুমোদিত খরচ পরিকল্পনা, যেখানে সময়ভিত্তিক বাজেট লেখা থাকে এবং যার উপর ভিত্তি করে প্রজেক্ট খরচ নিয়ন্ত্রণ করা হয় — কিন্তু এতে management reserve থাকে না।



🟦 Cost Baseline তৈরির ধাপ (Step-by-Step Explanation in Bangla)

🔵 1. WBS (Work Breakdown Structure তৈরি)

প্রথমে পুরো প্রজেক্টটাকে ছোট ছোট অংশে ভাগ করা হয়।
এগুলোকে বলা হয়:

✔️ Work Packages
→ ছোট, ম্যানেজ করা সহজ কাজের ইউনিট।

প্রতিটি work package-এর জন্য আলাদা খরচ নির্ধারণ করা হয়:

  1. শ্রম (labor)

  2. উপকরণ (materials)

  3. ওভারহেড (overhead)

  4. টুলস, সফটওয়্যার ইত্যাদি

👉 সহজভাবে:
প্রজেক্টকে টুকরো টুকরো কর → প্রতিটা টুকরোর খরচ লিখে রাখ।


🔵 2. Cost Estimation (প্রতিটি Work Package-এর খরচ অনুমান করা)

এবার প্রতিটি work package-এর খরচ নির্ধারণ করা হয়।
এটা করা হয় বিভিন্ন পদ্ধতিতে:

✔️ Analogous Estimating → আগের প্রজেক্ট দেখে
✔️ Parametric Estimating → গাণিতিক ফর্মুলা ব্যবহার করে
✔️ Bottom-Up Estimating → প্রতিটি ছোট কাজের খরচ যোগ করে

👉 সহজভাবে:
প্রতিটি কাজ করতে কত খরচ লাগবে — সেটা হিসাব করো।


🔵 3. Cost Aggregation (সব খরচ যোগ করা)

এখন WBS-এর সব খরচ যোগ করা হয়।
একেক টাস্ক বা ফেজ অনুযায়ী মোট খরচ বের করা হয়।

✔️ Phase 1 total cost
✔️ Phase 2 total cost
✔️ Development cost
✔️ Testing cost
✔️ Deployment cost

👉 সহজভাবে:
সব কাজের খরচ একসাথে যোগ কর → মোট বাজেট বের হয়।


🔵 4. Add Contingency Reserves (পরিচিত ঝুঁকির জন্য অতিরিক্ত টাকা যোগ করা)

এবার risk analysis করে দেখা হয়:

  1. কোন known risks আছে?

  2. সেগুলো ঘটলে কত অতিরিক্ত টাকা লাগবে?

এই টাকাকে বলা হয় Contingency Reserve

👉 নোট:
এটা Cost Baseline-এর অংশ — কারণ এটি known risks মোকাবিলা করতে ব্যবহৃত হয়।


🔵 5. Develop the Time-Phased Budget (সময়ভিত্তিক বাজেট তৈরি করা)

এবার মোট খরচকে সময়ের উপর ভাগ করে দেওয়া হয়:

✔️ প্রতি মাসে কত খরচ হবে
✔️ প্রতি ফেজে কত খরচ হবে
✔️ মাইলস্টোন অনুযায়ী পেমেন্ট

এই সময়ভিত্তিক বাজেট → Cost Baseline হয়ে যায়।

👉 খুব সহজভাবে:
মোট বাজেটকে সময় অনুযায়ী ভাগ করে দাও → এটাকেই Cost Baseline বলা হয়।


শেষে Cost Baseline = Time-Phased Budget (excluding management reserve)


🔥 সহজ উদাহরণ (৩০ সেকেন্ডে বুঝে যাও)

ধরো অ্যাপ বানানোর মোট খরচ = 2,00,000 টাকা
Contingency = 20,000 টাকা
Management Reserve = 30,000 টাকা

তাহলে:
✔️ Cost Baseline = 2,00,000 + 20,000 = 2,20,000 টাকা
✔️ Management reserve বাদ যাবে → এটি আলাদা থাকে

এখন এই ২,২০,০০০ টাকা—
মাস ভিত্তিতে ভাগ করলে হয়:

  1. মাস ১ → ৫০,০০০

  2. মাস ২ → ১,০০,০০০

  3. মাস ৩ → ৭০,০০০

➡️ এটিই Time-Phased Cost Baseline











Powered by Blogger.